সাম্প্রতিক

CBPHS

ঐতিহ্যবাহী বনওয়ারী নগর করোনেশন বনমালী পাইলট (সি,বি,পি) উচ্চ বিদ্যালয়টির বর্তমান স্থাবর সম্পত্তির পরিমাণ প্রায় ৪.৪৮০০ একর। এর মধ্যে ৩.৪৮০০ একর জমির মধ্যে স্কুলের পাচটি মূল ভবন, পুকুর এবং বিশাল একটি খেলার মাঠ রয়েছে।অবশিষ্ট ০.৩৩০০ একর জমির উপর ফরিদপুর উপজেলা বাজারের প্রাণকেন্দ্রে তিনটি মনোরম মার্কেট স্থাপিত হয়েছে। এবং ০.১৫০০ একর জমির উপর বিদ্যালয়ের শিক্ষক স্টাফ কোয়ার্টার অবস্থিত। বর্তমানে বিদ্যালয়টিতে ৬ষ্ঠ শ্রেণীতে ৫৫৪ জন, ৭ম শ্রেণীতে ৪৫২ জন, ৮ম শ্রেণীতে ৪২৫ জন, ৯ম শ্রেণীতে ৩২০ জন এবং ১০ম শ্রেণীতে ২৮৩ জন সহ সর্বমোট ২০৩৫ জন শিক্ষার্থী সাফল্যের সাথে অধ্যয়ন করছে।

এ প্রতিষ্ঠানটি প্রতিষ্ঠালাভ করার পর দু’বছরের মধ্যেই কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃক ১৯১৪ খ্রিষ্টাব্দের ৩১ শে জানুয়ারী প্রাতিষ্ঠানিকভাবে স্বীকৃতি লাভ করে। প্রতিষ্ঠাকালীন সময়ে শুধুমাত্র মানবিক শাখার অনুমোদন ছিল। এরপর ষাটের দশকের মধ্য ভাগে বিজ্ঞান শাখা চালু করা হয় এবং ঐ সময়ের হেডমাস্টার জনাব সাইদুর রহমান সাহেবের জোড়ালো প্রচেষ্টায় ১৯৬০ খ্রিষ্টাব্দের ১ লা জানুয়ারী বিজ্ঞান শাখাটি তদানিন্তন শিক্ষা বোর্ড কর্তৃক স্বীকৃতি লাভ করে। উল্লেখ্য যে, এ শিক্ষা প্রতিষ্ঠানটি জন্মলাভ করার পর থেকে সরকারি অনুদান না পাওয়া পর্যন্ত তাড়াশ জমিদার পরিবার থেকে বার্ষিক চব্বিশশত টাকা সাহায্য পেতো। ১৯৫২ খ্রিষ্টাব্দে জমিদারি প্রথা উচ্ছেদের পর তাড়াশ জমিদার পরিবার কলকাতা চলে যান। এ সময় এই শিক্ষা প্রতিষ্ঠানটি কিছু সরকারি অনুদান এবং ছাত্রের বেতনের উপর নির্ভরশীল হয়ে পড়ে বলে জানা যায়। এরপর ১৯৮৪ খ্রিষ্টাব্দে দেশের সকল স্বীকৃতি প্রাপ্ত শিক্ষা প্রতিষ্ঠান জাতীয়ভাবে এম.পি.ও ভুক্ত হয়- যা ১৯৮৫ খ্রিষ্টাব্দ থেকে কার্যকরী হয়। অলোচ্য বনওয়ারী নগর সি, বি, পাইলট উচ্চ বিদ্যালয়টিও একই নিয়মে এম.পি.ও ভুক্ত হয়। জন্মলগ্ন থেকেই এই শিক্ষা প্রতিষ্ঠানটি শিক্ষার গুণগত মানের ক্ষেত্রে গৌরবের শীর্ষে অবস্থান করে